ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে একচেটিয়া আধিপত্য দেখায় বার্সেলোনা। কিন্তু প্রথমার্ধে অপ্রত্যাশিতভাবে দুটি গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে তারা। ইভান রোমেরো ও হোসে লুইস মোরালেসের গোলে এগিয়ে যায় লেভান্তে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দৃশ্যপট পুরোপুরি পাল্টে যায়। পেদ্রি ও ফেররান তরেসের ঝলকে সমতায় ফেরে বার্সেলোনা, এবং যোগ করা সময়ে উনাই এলগেসাবালের আত্মঘাতী গোলে জয় নিশ্চিত করে কাতালানরা।
পুরো ম্যাচে বার্সেলোনার বলের দখল ছিল প্রায় ৮৩ শতাংশ। তারা গোলের উদ্দেশ্যে ২৬টি শট নেয়, যার ১০টি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে, লেভান্তে স্নায়ুচাপের মধ্যে থেকে মাত্র ৮টি শট নেয়, যার ৫টি ছিল অন টার্গেট।
১৫তম মিনিটে খেলার ধারার বিপরীতে লেভান্তেকে এগিয়ে দেন ইভান রোমেরো। বাঁ দিক থেকে জেরেমির পাসে বার্সার ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে কাছ থেকে গোল করেন তিনি। এরপর ৪৫তম মিনিটে বার্সেলোনার আলেহান্দ্রো বাল্দের হ্যান্ডবলের কারণে ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টি পায় লেভান্তে। ৩৮ বছর বয়সী হোসে লুইস মোরালেস সেই পেনাল্টি সফলভাবে রূপান্তর করে দলকে ২-০ গোলে এগিয়ে দেন।
বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধে ঝড় তুলে ম্যাচে ফেরে বার্সেলোনা। ৪৯তম মিনিটে লামিনে ইয়ামালের পাস থেকে দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে গোল করেন পেদ্রি। এর তিন মিনিট পর, ৫২তম মিনিটে রাফিনিয়ার কর্নার থেকে অসাধারণ ভলিতে সমতা ফেরান ফেররান তরেস।
ম্যাচের শেষদিকে বার্সেলোনা একের পর এক আক্রমণ চালালেও জয়ের গোল পাচ্ছিল না। তবে যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে ইয়ামালের ক্রসে হেড করে ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠান লেভান্তে ডিফেন্ডার উনাই এলগেসাবাল। এই আত্মঘাতী গোলই বার্সেলোনার নাটকীয় জয় নিশ্চিত করে।
এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগার শীর্ষে উঠে এসেছে বার্সেলোনা। অন্যদিকে, টানা দুই ম্যাচে হেরে পয়েন্ট তালিকার নিচের দিকে রয়েছে লেভান্তে।