বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫

ফিফার নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় ভারতীয় ফুটবল: নতুন সংবিধান ও নির্বাচনের জন্য ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সময়

ফুটবল ফেডারেশনে সরকারি হস্তক্ষেপের কারণে ২০২২ সালের আগস্টে ভারতকে নিষিদ্ধ করেছিল ফিফা। তিন বছর পর আবারও নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হওয়ার শঙ্কায় পড়েছে দেশটি। বিশ্ব ও এশিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এবং এএফসি অল ইন্ডিয়ান ফুটবল ফেডারেশনকে (এআইএফএফ) কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে।

এআইএফএফকে পাঠানো চিঠিতে ফিফা আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করে নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন না হলে ভারতকে সব ধরনের ফুটবল কার্যক্রম থেকে নির্বাসনে পাঠানো হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এর ফলে আগামী ১৮ নভেম্বর এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলার অনুমতি পাবে না ভারত।

ফিফা নির্দেশ দিয়েছে, ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা মেনে এবং নতুন সংবিধান অনুযায়ী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। ফেডারেশনের পরবর্তী সাধারণ সভার বৈঠকে নতুন সংবিধান প্রণয়নেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই প্রক্রিয়া ফেডারেশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে পরিচালনা করতে হবে, এবং ভারত সরকারসহ কোনো তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না।

নিষেধাজ্ঞা এড়াতে এআইএফএফের প্রধান কল্যাণ চৌবে ফিফা ও এএফসির চিঠি ভারতের সুপ্রিম কোর্টে পাঠাবেন এবং কেন্দ্রীয় ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ মন্ত্রীকে জানাবেন। একই সঙ্গে দ্রুত রায় ঘোষণার জন্য সুপ্রিম কোর্টের কাছে অনুরোধ জানানো হবে।

২০১৭ সাল থেকে এআইএফএফের সংবিধান নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে। সম্প্রতি দেশটির সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছে, রায় তৈরি করা হয়েছে। তবে নতুন ক্রীড়ানীতি মেনে সংবিধান প্রণয়নের জন্য রায় ঘোষণা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ ২০২২ সালের ১৬ আগস্ট তৃতীয় পক্ষের অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপের অভিযোগে ফিফা ভারতকে নিষিদ্ধ করেছিল। তৎকালীন ফেডারেশনের সভাপতি প্রফুল প্যাটেলের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তিনি নতুন নির্বাচন না দিয়ে অফিস চালিয়ে যাচ্ছিলেন, যা ভারতের সুপ্রিম কোর্ট আইনের পরিপন্থী বলে রায় দিয়েছিল।


Share This Post

শেয়ার করুন

Author:

Note For Readers: The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules. Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters. The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.