ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করলেও গোলের দেখা পায়নি ইন্টার মিয়ামি। উল্টো প্রথমার্ধের শেষ দিকে, ৪৬ মিনিটে মারিও পাসালিচের দুর্দান্ত শটে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় অরল্যান্ডো সিটি। সেই ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়ায় মিয়ামি, কিন্তু প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ অটল ছিল। শেষ পর্যন্ত ৭৫ মিনিটে আসে সমতা। জর্দি আলবার ক্রস থেকে লুইস সুয়ারেজ বক্সে বল পেতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু অরল্যান্ডোর ডিফেন্ডার ব্রেকালো ফাউল করে বসেন। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন তিনি, আর পেনাল্টি থেকে ঠান্ডা মাথায় গোল করেন লিওনেল মেসি। ম্যাচে ফেরে ইন্টার মিয়ামি—১-১।
৮৮ মিনিটে আসে ম্যাচের মোড় ঘোরানো মুহূর্ত। আলবার সঙ্গে ওয়ান-টু পাস খেলে বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে গোল করেন মেসি। ২-১ গোলে এগিয়ে যায় ইন্টার মিয়ামি। এরপর যোগ করা সময়ে লুইস সুয়ারেজের পাস থেকে তেলাসকো সেগোভিয়া দারুণ এক চিপ শটে স্কোরলাইন করেন ৩-১। নিশ্চিত হয়ে যায় মিয়ামির জয় এবং ফাইনালে যাত্রা।
পুরো ম্যাচে দুর্দান্ত খেলেছেন মেসি। গোল করেছেন দুটি, খেলেছেন ৯০ মিনিট। তার সঙ্গেই ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন সুয়ারেজ ও জর্দি আলবা। অন্যদিকে, অরল্যান্ডো সিটি লড়াই করেও মেসির ঝলক সামাল দিতে পারেনি। সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হলো তাদের।
এবার লিগস কাপের ফাইনালে ইন্টার মিয়ামির প্রতিপক্ষ হবে সিয়াটল সাউন্ডার্স ও এলএএফসি—এই দুই দলের মধ্যকার সেমিফাইনালের জয়ী। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে মেসির অভিষেক আসরেই লিগস কাপ জিতেছিল ইন্টার মিয়ামি। এবারও সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করতে চায় দলটি।