বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনের জন্য ১৮ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তুত করে সরকারের কাছে সহযোগিতা চেয়েছিল। এর মধ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পৃথকভাবে ৫ কোটি টাকা করে মোট ১০ কোটি টাকা বাফুফেকে প্রদান করছে। এই অর্থের সহায়তায় চার বছর পর জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করতে যাচ্ছে বাফুফে। বাকি ৮ কোটি টাকা বাফুফে নিজেই সংগ্রহ করবে।
সিনিয়র জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের পাশাপাশি ছেলেদের অনূর্ধ্ব-১৭ এবং মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপও আয়োজন করবে বাফুফে। আগামী ৩০ আগস্ট মুন্সীগঞ্জে স্বাগতিক জেলা ও জামালপুরের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে এই টুর্নামেন্ট শুরু হবে। দেশের সবচেয়ে বড় এই ফুটবল আয়োজনে ৬৪টি জেলা দল অংশ নিচ্ছে। জেলাগুলোকে আটটি জোনে বিভক্ত করা হয়েছে। টুর্নামেন্টের প্রথম দুই রাউন্ড হবে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে।
শীর্ষ ১৬ দল নিয়ে শুরু হবে নকআউট পর্ব। ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে। ফাইনালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফা।
সোমবার বাফুফে ভবনে টুর্নামেন্টের লোগো ও সূচি উন্মোচন এবং সংবাদ সম্মেলনে টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ও বাফুফের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি বলেন, “এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জেলায় জেলায় ফুটবল নিয়ে উন্মাদনা তৈরি হবে। সিনিয়রদের আসরের পাশাপাশি অনূর্ধ্ব-১৭ পুরুষ ও নারী চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করা হবে। এই তিনটি আসরের মাধ্যমে প্রতিভাবান ফুটবলার বাছাই করা সম্ভব হবে।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মাহবুব-উল-আলম। তিনি বলেন, “সরকার ও বাফুফের এই যৌথ উদ্যোগ তরুণ সমাজে একটি উন্মাদনার সৃষ্টি করবে। নারী ফুটবলাররা নিয়মিতভাবে দেশের জন্য সাফল্য এনে দিচ্ছে। আমি মনে করি, এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে তৃণমূল থেকে আরও অনেক প্রতিভাবান ফুটবলার খুঁজে পাওয়া যাবে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম, বাফুফের নির্বাহী কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন, ছাইদ হাছান কানন, সাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়া শাহিন ও কামরুল হাসান হিলটন।